Tuesday March 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১ এ ০৩:৫৫ AM

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

কন্টেন্ট: পাতা

বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহর সমাধি

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা যশোর সেনানিবাস দখলের পর ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে পাকিসত্মানি নৌ-ঘাটি বি,এন,এস তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের পদ্মা,

পলাশ, এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনীর গানবোট ‘‘পানভেল’’

খুলনার শিপইয়ার্ডের কাছে এলে পাকিসত্মানী জঙ্গী বিমান

গুলোকে দেখা যায় আকাশে। তখন বাংলাদেশীরা শত্রু মনে করে গুলি করার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা কমান্ডারের

কাছে অনুমতি চায়। পাকিসত্মানী বিমান মনে করে অভিযানের

সর্বাধিনায়ক ক্যাপ্টেন মনেন্দ্রনাথ গুলি করতে থাকে এবং পদ্মা

এর ইঞ্জিন রম্নমে আঘাত করে ইঞ্জিন বিধ্বসত্ম করে। অনেক

নাবিক হতাহত হয় । লে. কমান্ডার রায় চৌধুরী নাবিকদের

জাহাজ ত্যাগের নির্দেশ দেন। এই বিষয়ে রুহুল আমিন যুদ্ধে সামিল

হয় এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাবার নির্দেশ দেন। রুহুল আমিন নির্দেশ

দিয়ে ইঞ্জিন রুমের দিকে আসে। অপর দিকে কমান্ডারের কথা

অমান্য করতে পারে নাই। কিছুক্ষনের মধ্যে পাকিস্তানের বিমানগুলো উপুর্যপুরি বোমাবর্ষন করে পলাশের ইঞ্জিনরুম ধ্বংস করে দেয়। রুহুল আমিন কোন মতে রূপসা নদীতে ঝাপিয়ে পড়ে। অনেক কষ্ট করে পাড়ে উঠে আসেন। কিন্তু পাকিস্তানের দুসর রাজাকারের দলেরা এই মহান মুক্তিযোদ্ধাকে বেনয়েট দিয়ে খুটিয়ে হত্যা করে। তার মৃত দেহ বেশ কিছুদিন পড়ে থাকে। মুক্তি যুদ্ধে অবদানের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সর্বচ্চো খেতাব বীরশ্রেষ্ট উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন